
মালয়েশিয়ার দুর্নীতি দমন কমিশন (এমএসিসি) ইসমাইল সাবরির সাবেক সহকারীদের কাছ থেকে ১৭০ মিলিয়ন রিঙ্গিত ও ১৬ কেজি স্বর্ণবার জব্দ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগে তদন্তও শুরু করেছে দেশটি।
সোমবার (৩ মার্চ) মালয়েশিয়ার প্রায় সব মিডিয়া এমএসিসির এক বিবৃতির উদ্ধৃতি দিয়ে বিষয়টি জানিয়েছে।
এমএসিসির বিবৃতির উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, এই তদন্ত সাবরির প্রধানমন্ত্রিত্বকালে প্রচার ও জনসংযোগের জন্য বরাদ্দ তহবিল এবং ব্যয়ের কাজে ব্যবহৃত। এদিকে তদন্তটি মালয়েশিয়ার দুর্নীতি দমন আইনের ২০০৯ এবং অর্থপাচার, সন্ত্রাসী অর্থায়ন ও অবৈধ সম্পদের আইন ২০০১-এর অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।
মালয় মেইল তাদের এক সংবাদে জানিয়েছে, ২০২৪ সালের ১১ ডিসেম্বর, এমএসিসি সাবরিকে তার সম্পদের ঘোষণা দিতে বলেছিল এবং তিনি ২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে তার সম্পদ ঘোষণা করেন। নতুন তথ্যের ভিত্তিতে, মালয়েশিয়ার দুর্নীতি দমন কমিশন (এমএসিসি) ইসমাইল সাবরির সাবেক চারজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করেছে।
তাদের বাসভবন এবং আরো তিনটি স্থানে তল্লাশি চালিয়ে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন মুদ্রায় প্রায় ১৭০ মিলিয়ন রিঙ্গিত নগদ জব্দ করা হয়েছে। যার মধ্যে বাহাত, রিয়াল, পাউন্ড স্টার্লিং, ওন, ইউরো, সুইস ফ্রাঙ্ক এবং ইউয়ানও রয়েছে। এছাড়াও ১৬ কেজি বিশুদ্ধ স্বর্ণবার উদ্ধার করা হয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় সাত মিলিয়ন রিঙ্গিত।
দেশটির সরকারি নিউজ এজেন্সি বারনামা জানিয়েছে, ইসমাইল সাবরিকে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং তদন্তকারীরা প্রয়োজনে তাকে আবার তলব করতে পারে। এছাড়া তদন্তের জন্য প্রায় ১০ জন সাক্ষীকে ডাকা হতে পারে।
এমএসিসি নিশ্চিত করেছে, এই তদন্ত সম্পূর্ণ স্বাধীন ও পেশাদারভাবে পরিচালিত এবং আইনের পূর্ণ অনুসরণ করা হচ্ছে।